শেখ হাসিনা-মোদি ভার্চুয়াল বৈঠক ১৭ ডিসেম্বর
স্বপ্ন নিউজ ডেস্ক
ডিসেম্বর ১৫, ২০২০, ৫:৪৮ পূর্বাহ্ণ

স্বপ্ন নিউজ ডেস্ক :  আগামী ১৭ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠকে করোনা পরবর্তী সময়ে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হবে। গতকাল সোমবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ১৭ ডিসেম্বর ভার্চুয়াল বৈঠকে বসবেন। বৈঠকে দুই শীর্ষ নেতা করোনা পরবর্তী সহযোগিতা আরও জোরদার করাসহ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন। ভারত ও বাংলাদেশ সর্বোচ্চ স্তরে নিয়মিত আলোচনা ও মতবিনিময় অব্যাহত রেখেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৯ সালের অক্টোবরে ভারতে সফরে এসেছিলেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০২০ সালের মার্চ মাসে মুজিববর্ষের ঐতিহাসিক অনুষ্ঠান উপলক্ষে একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছিলেন। করোনা মহামারির মধ্যেও উভয় নেতা নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন।
অন্যদিকে গত রবিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন বলেন, বৈঠকে আমাদের যত বড় বড় ইস্যু আছে, সেগুলো আমরা তুলব। পানি বণ্টন সমস্যা, সীমান্তে অনিশ্চয়তাসহ সব ইস্যুই তুলে ধরব। তবে আমাদের বিজয়ের মাসকে সবচেয়ে বড় করে তুলে ধরব। সূত্র জানায়, দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি একাধিক বিষয়ে দুদেশের মধ্যে চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিককালেও ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কে সোনালি অধ্যায় বিরাজ করছে। বাংলাদেশের বড় বড় যত সমস্যা, যেমন- স্থল সীমানা, সমুদ্রসীমা, পানি সমস্যা এগুলো আমরা মোটামুটিভাবে প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করেছি। আমরা পৃথিবীর মধ্যে একটা উদাহরণ সৃষ্টি করেছি যে, প্রতিবেশী রাষ্ট্র যুদ্ধ, ঝগড়াঝাটি না করে বড় বড় সমস্যার সমাধান করতে পারে। সে জন্য বাংলাদেশ ও ভারত অবশ্যই সবার প্রশংসা পাওয়া উচিত। আমাদের মধ্যে যদি আরও কিছু সমস্যা থাকে, তবে আমরা বিশ্বাস করি, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে পারব।
মন্ত্রী বলেন, ভারত আমাদের সব সময়ের বন্ধু। আমাদের বিজয়ে তাদেরও যথেষ্ট অহংকার করার কারণ আছে। ভারত যদি আমাদের সাহায্য না করত, তা হলে ইতিহাস অন্যরকম হতো। আমাদের বিজয়, এটি বাংলাদেশের বিজয়, আর সেই সঙ্গে এটি ভারতেরও বিজয়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তান যখন ৪ ডিসেম্বর ভারতের ওপর আক্রমণ করল, তখন ভারত যুদ্ধ ঘোষণা করে। ৬ ডিসেম্বর ভারত ওই সময়ের বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারপ্রধানকে জানাল, ভারত বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এগুলো আমাদের জন্য বড় পাওয়া। ভারতীয় সেনারা আমাদের মুক্তি সংগ্রামে রক্ত দিয়েছেন। সুতরাং আমাদের মধ্যে রক্তের সম্পর্ক, ঐতিহাসিক সম্পর্ক। শুধু তাই নয়, বঙ্গবন্ধুকে জীবিত অবস্থায় দেশে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রেও তৎকালীন ভারত ও ব্রিটিশ সরকারের যে অবদান রয়েছে, তা স্বীকার করতে হবে। এ জন্য আমরা ভারতের প্রতি যথেষ্ট কৃতজ্ঞ।
ড. মোমেন বলেন, দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে একাধিক কুইক ইমপ্যাক্ট প্রকল্প উদ্বোধন করা হবে। হলদিয়াবাড়ী দিয়ে ভারতের সঙ্গে রেল যোগাযোগও এদিন চালু হবে বলে জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠপুত্র শেখ রাসেলের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন বড় বোন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।শুক্রবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদ আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন তিনি।

ঢাকা অফিস

সম্পাদক : মোঃ ইয়াসিন টিপু

নাহার প্লাজা , ঢাকা-১২১৬

+৮৮ ০১৮১৩১৯৮৮৮২ , +৮৮ ০১৬১৩১৯৮৮৮২

shwapnonews@gmail.com

পরিচালনা সম্পাদক : মিহিরমিজি

© ২০১৯ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সপ্ন নিউজ
Powered By U6HOST